যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে

যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে

সুপ্রিয় বাণী কথার পাঠক বৃন্দ, আশা করি মহান আল্লাহ তা-আলার রহমতে আপনারা সকলে ভালো আছেন। আজকে আমি  এমন একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি। আর যে বিষয়টি নিয়ে আজ আলোচনা করবো। তা আপনারা হয় তো অনেকে জানেন না তা হলো ফেরেশতার দোয়া  , যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতা দোয়া করে। এমন কি ৭০ হাজার ফেরেশতা যাদের জন্য দোয়া করে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

Sponsored

ফিরিশতা বা ফেরেশতা ( ملاك ) ইসলামী বিশ্বাস মতে স্বর্গীয় বাহক বা দূত। ফেরেশতারা ( আশরাফুল মাখলুকাত ) মানুষের ন্যায় আল্লাহ তাআলার আরেক সৃষ্টি। আরবি ভাষায় ফেরেশতাদের শব্দের অর্থ, একবচনে মালাইক ও বহুবচনে মালাক বলা হয়ে থাকে। ফেরেশতারা নূর তথা আলোর তৈরি। তাদের দেখা যায় না। ফেরেশতারা সর্বদা ও সর্বত্র আল্লাহ্‌র উপাসনায় রত থাকে। আল্লাহর অবাধ্য হবার কোনো ক্ষমতা নেই ফেরেশতাদের। তাদের কোন খিদে নেই। আল্লাহর যিকির ও ইবাদত ফেরেশতাদের খাদ্য। ফেরেশতারা নবমন্ডল ও ভূমন্ডলের সব দায়িত্ব পালন করে থাকে। ফেরেশতারা নবমন্ডল ও ভূমন্ডলের কি কি দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়া ৭০ হাজার ফেরেশতা যাদের জন্য দোয়া করে সেসব বিষয় আমাদের জানা উচিত। কিন্তু আজ আমরা জানবো ফেরেশতার দোয়া, পৃথিবীর কোন সাত ব্যাক্তির জন্য সে সমন্ধে।

যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতা দোয়া করে

যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতা দোয়া করে থাকে। আসুন আজ আমরা সেই ভাগ্যবান সাত ব্যাক্তির সাথে পরিচিত হই। এমন কি আপনিও হতে পারেন সেই সাত ব্যাক্তির একজন। আর এই গুন গুলো যদি আপনার মধ্যে থাকে। তাহলে ফেরেশতা আপনার জন্যও দোয়া করতে থাকবে।

আর আপনার জন্য যদি ফেরেশতা দোয়া করে। তাহলে নিঃসন্দেহে আপনি একজন দ্বীনদার নেককার মুমিন হিসেবে পরিগনিত হবেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, আপনার জন্য হাশর বা কিয়ামতের পর জান্নাতের ফয়সালা করে দিবেন। (সুবাহান আল্লাহ)। চলুন, যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতা দোয়া করবেন। তাদের সাথে পরিচিত হই।

১। ওযু অবস্থায় ঘুমানো ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতার দোয়াঃ

মহান আল্লাহ তাআলা, তার বান্দাদের সারা দিনের ক্লান্তি দূর করার জন্য রাত কে কালো আবরনে ঢেকে দিয়েছেন। তিনি কতই না দয়ালু। আর আমরা যদি তার এই রাত কে ইবাদতের মধ্যে কাটিয়ে দেই। তিনি কতই না খুশি হবেন। কেননা আমরা ঘুমিয়ে থেকেও আল্লাহ তাআলার ইবাদত করতে পারি। আর তা হলো, ঘুমানোর আগে আমাদের ওযু করে ঘুমানো। যদি আমরা ওযু করে ঘুমিয়ে যাই। তাহলে একজন ফেরেশতার দোয়া সেই বান্দার জন্য সকাল পর্যন্ত চলতেই থাকবে। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে,

হজরত বারা ইবনে আজিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন,
إِذَا أَتَيْتَ مَضْجَعَكَ فَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ ثُمَّ اضْطَجِعْ عَلَى شِقِّكَ الْأَيْمَنِ
‘যখন তুমি তোমার শয্যা গ্রহণের ইচ্ছা করবে, তখন নামাজের ন্যায় ওযু করে ডান কাত হয়ে ঘুমাবে। হাদিস- (বুখারি ও মুসলিম)।

রাসূল ( সাঃ) আরো বলেন, যে ব্যাক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার সাথে একজন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকে। অতঃপর সেই ব্যাক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথেই মহান আল্লাহ তা-আলার কাছে ফেরেশতার দোয়া পৌছে যায়।

হে, আল্লাহ আপনার বান্দা কে আপনি ক্ষমা করে দিন। কেননা, সে ওযু অবস্থায় ঘুমিয়েছিল। সুবাহান-আল্লাহ।

২। সালাত বা নামাজের জন্য অপেক্ষাকারী ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতার দোয়াঃ

যে ব্যাক্তি মসজিদে আজানের পর সালাত বা নামাজ আদায়ের জন্য ওযু করে মসজিদে গেল। যার প্রত্যেক কদমের জন্য নেকি তার আমলনামায় লেখা হলো। ( সুবানহান আল্লাহ )। কেননা, নিদিষ্ট সময়ে সালাত বা নামাজ আদায় করা আবশ্যক। আর যে ব্যাক্তি এক ওয়াক্ত সালাত বা নামাজ শেষ করে। পরের ওয়াক্তের নামাজের জন্য অপেক্ষা করে। সেই ব্যাক্তি আরো বেশি নেকি লাভ করে। সেই ব্যাক্তিদের নিয়ে,

আবু-হুরায়রা রাঃ থেকে বর্নিত, রাসূল সাঃ বলেছেন, তোমাদের মাঝে যদি কোন ব্যাক্তি ওযু অবস্থায়। সালাত বা নামাজের জন্য অপেক্ষা করে এবং মসজিদে বসে থাকে। সে যেন সালাত বা নামাজরত অবস্থায় রইলো। আর সেই ব্যাক্তির জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে ফেরেশতার দোয়া চলতে থাকে। হে আল্লাহ তুমি তাকে ক্ষমা কর। আমিন। যতক্ষন পর্যন্ত সেই ব্যাক্তি মসজিদ থেকে বাহিরে বের না হয়।

৩। প্রথম কাতারে নামাজ আদায়কারী ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেঃ

সালাত বা নামাজ সমন্ধে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, হে মুমিন বান্দা গন তোমরা সালাত কায়েম কর! আমরা এমন ভাবে সালাত বা নামাজ কায়েম করবো, যেভাবে আল্লাহ তাআলা খুশি হন। লোক দেখানো নামাজ আদায় করবো না। যেভাবে নামাজ আদায় করলে আল্লাহ খুশি হবেন। সেই ভাবে সালাত আদায় করবো। তবে অবশ্যই প্রথম কাতারে নামাজ বা সালাত আদায় করবো। কারন প্রথম কাতারে নামাজ বা সালাত আদায় কারী ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে ও আল্লাহ তাদের প্রতি বেশি বেশি সওয়াব দান করে।

আমাদের প্রিয় নবী বিশ্ব মানবতার দূত হযরত মোহাম্মদ ( সাঃ ) বলেছেন, তোমরা জামাতের সাথে সালাত আদায় করো। কেননা, জামাতের সাথে সালাত আদায় করলে অনেক বেশি নেকি পাওয়া যায়। সুবাহান-আল্লাহ।

বারা রাঃ হতে বর্নিত, হজরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন, প্রথম কাতারের নামাজ আদায় কারী বান্দাকে নিশ্চই আল্লাহ তা-আলা ক্ষমা করেন। এমনকি ফেরেশতা তাদের জন্য দোয়া  করেন। সুবাহান-আল্লাহ।

৪। হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর প্রতি দুরুদ পাঠকারীর জন্য ফেরেশতার দোয়া করেঃ

দরুদ পাঠ কারী ব্যাক্তি আলাহ তাআলার কাছে অনেক প্রিয়। যে ব্যাক্তি আল্লাহর হাবীবের প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করে ফেরেশতা তার জন্য দোয়া করতে থাকে। কোরআনে উল্লেখিত, আল্লাহ তাআলা নিজেই তার হাবীবের জন্য দরুদ পড়ার দিকনির্দেশনা দিয়ে আয়াত নাজিল করেছেন- তা হলো

اِنَّ اللّٰهَ وَ مَلٰٓئِکَتَهٗ یُصَلُّوۡنَ عَلَی النَّبِیِّ ؕ یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا صَلُّوۡا عَلَیۡهِ وَ سَلِّمُوۡا تَسۡلِیۡمًا
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তার রাসূলের প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও নবির জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা করে। হে বিশ্বাসীগণ! তোমরাও নবির জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা কর এবং তাকে উত্তমরূপে অভিবাদন কর (দরূদ ও সালাম পেশ কর)।’ সুরা আহজাব : আয়াত ৫৬

দরুদ পাঠ করলে অনেক ফজিলত পাওয়া যায়, যারা দরুদ পাঠ করে তাদের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকেন।  যতক্ষণ বান্দা দরুদ পাঠ করতে থাকে। হাদিসে এসেছে-
হজরত আমের ইবনে রবিআহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমি হযরত মোহাম্মদ ( সাঃ ) কে খুতবার মধ্যে এ কথা বলতে শুনেছি-
‘ আমার উপর দরুদ পাঠকারী ব্যাক্তি যতক্ষণ পর্যন্ত দরুদ পাঠ করে, ততক্ষণ পর্যন্ত ঐ ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকে। সুতরাং দরুদ পাঠ করা বান্দার ইচ্ছা, বান্দা দরুদ বেশিও পড়তে পারে আবার কমও পড়তে পারে।’ (মুসনাদে আহমদ, ইবনে মাজাহ, মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা)।

এছাড়াও দরুদের অনেক ফজিলত রয়েছে-
‘রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার উপর দরুদ পাঠ করবে তার জন্য আমার সুপারিশ অবধারিত হয়ে যাবে।’ (তাবারানি)।

রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) আরো ইরশাদ করে বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন ওই দরুদ পড়া ব্যক্তি আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে, যে আমার উপর সবচেয়ে বেশি দরূদ পড়েছে।’ (তিরমিজি শরীফ)।

যে ব্যাক্তি দিনে একবার দরুদ পাঠ করে আল্লাহ তাআলা তার ১০ টি গুনা মাফ করে দেয়। তার উপর ১০ টি রহমত নাজিল করে ও ১০ টি রহমতের দরজাব তার জন্য খুলে দেয়। সুবাহান আল্লাহ।

কেননা আল্লাহ তাআলা দরুদ পাঠ কারী বান্দাকে খুব পছন্দ করেন। আর ফেরেশতারা সেই বান্দার জন্য দোয়া করে।

যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে
যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে

৫। রোগী পরিদর্শনকারীর জন্য ফেরেশতার দোয়াঃ

আল্লাহ তাআলার ৭০ হাজার ফেরেশতা যাদের জন্য দোয়া করে । তাদের মধ্যে হলেন রোগী পরিদর্শনকারী ব্যাক্তি। অসুস্থ ব্যাক্তির সেবা করা বা তার প্রতি যত্ন নেওয়া সুন্নত। মহানবী হযরত ( সাঃ ) ইসরাত করেছেন, যে মুসলিম ব্যাক্তি অন্য অসুস্থ মুসলিমকে দেখতে যায়। মহান আল্লাহ তাআলা সেই ব্যাক্তির জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা পাঠিয়ে দেন। আর ঐ ব্যাক্তি দিনের যে সময় টুকু অন্য মুসলিম ভাইকে দিয়েছে, ততখন ফেরেশতা সেই ব্যাক্তির জন্য দোয়া বা ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে।

একই ভাবে রাতে যদি কোন মুসলিম ভাই অন্য মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়। সে সময় হতে ফেরেশতার দোয়া আল্লাহর দরবারে গৃহিত হয়। সুবাহান আল্লাহ

রাসূল ( সাঃ ) বলেছেন, যে মুসলিম ব্যাক্তি অন্য অসুস্থ মুসলিম ব্যাক্তি কে দেখতে যাবে। তার সাথে যেন মঙ্গলজনক কথা বলে। কেননা ফেরেশতা তার কথা শুনে আমিন বলতে থাকে। হাদিস- মিশকাত ও মুসলিম

৬। মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারা দোয়া করেঃ

মহান আল্লাহ তাআলা এ প্রসঙ্গে নির্দেশ দিয়েছেন, যে তোমরা নিজের এবং অন্যান্য মুমিন মুসলমান নারী পুরুষের জন্য দোয়া করো। আর এটি রাসূল ( সাঃ ) এর মতে সুন্নত। মুসলিম নারী পুরুষের দোয়া প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَاسْتَغْفِرْ لِذَنبِكَ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ
(হে রাসুল! আপনি) ক্ষমা প্রার্থনা করুন, আপনার নিজের জন্য এবং মুমিন পুরুষ ও নারীদের জন্য।’ (সুরা মুহাম্মাদ আয়াত নং ১৯)।

কোন মুসলিম ব্যাক্তি যদি, অন্য মুসলিম ব্যাক্তির অনুপস্থিত অবস্থায় তার জন্য দোয়া করে। তাহলে সে দোয়া কবুল হয়। আর সেই ফেরেশতারা দোয়া এর জন্য আমিন বলতে থাকে। আর সেই দোয়াকারী ব্যাক্তির জন্য ১ জন ফেরেশতা নিযুক্ত হয়। রাসূল (সাঃ ) সে কথা বলেছেন।

৭। কল্যানের পথে দানকারী ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতার দোয়াঃ

সৎ ব্যাক্তি প্রতি ফেরেশতার দোয়া থাকে এবং কল্যাণের কাজে ধাবিত করে। আর অসৎ ব্যাক্তি কে শয়তান অন্যায়ের দিকে ধাবিত করে। হাদিসে এসেছে-

হযরত মোহাম্মদ ( সাঃ ) বলেছেন, ফেরেশতা যে ভাবে মানুষের মনে ভাল কাজের উৎসাহ জোগায়। অপর দিকে শয়তান মানুষের মনে খারাপ কাজের প্রেরনা জোগায়। ফেরেশতার প্রেরনা কল্যাণকর আর শয়তানের প্রেরণা অশুভ ও অকল্যাণের। শয়তান ওয়াদা করে ভঙ্গ করে এবং সত্যকে অস্বীকার করে। আর ফেরেশতার প্রেরণা হলো কল্যাণ ও মঙ্গলজনক। ওয়াদা করে পালন করে এবং সত্যকে স্বীকার করে। অতঃপর, এ বিষয়ে হযরত মোহাম্মদ ( সাঃ ) কুরআনের আয়াত তেলাওয়াত করেন-

মহানবী রাসুল ( সাঃ ) বলেছেন, প্রতিদিন সকালে ২জন ফেরেশতা জমিনে আসেন। একজন ফেরেশতা বলে, হে রাব্বুল আলামিন দানকারী ব্যাক্তির ধন সম্পন বৃদ্ধি করে দাও। আমিন। এই ফেরশতার দোয়া আল্লাহ তাআলার কাছে গৃহিত হয়।

আর অপর ফেরেশতা বলে, হে আল্লাহ যে, ব্যাক্তি দান করলো না তার সেই সম্পদ গুলো নষ্ট করে দও। নাউযুবিল্লাহ। এই ফেরেশতার দোয়া আল্লাহ তাআলার কাছে গৃহিত হতে পারে।

অতএব, আমরা বেশি বেশি দান করার চেষ্টা করবো। দানে কখনো কৃপনতা করবো না এবং ধন সম্পদের সদকায় জারীয়া দেওয়ার চেষ্টা করবো।

তাহলে বন্ধুরা, যে সাত ব্যাক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে গল্পটি পড়ে যা কিছু জানতে পেলাম। আমরা আরো জানতে পেলাম, ফেরেশতা যাদের জন্য দোয়া করে  সেই বিষয়ে। আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রত্যেক কে সেই ভাবে আমল করার তৌফিক দান করুন। আর ফেরেশতার দোয়া যাতে বেশি বেশি পাই সেই ভাবে ইবাদত করার তৌফিক দান করুক। আমিন

আপনি আরো পড়তে পারেন, গুরত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় দোয়া সমূহ সম্পর্কে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More