স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কয়েকটি হাদিস

স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কয়েকটি হাদিস

0 80

Sponsored

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সুপ্রিয় বাণী কথার পাঠক বৃন্দ, আশা করি আপনারা সবাই  মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রধান পথপ্রদর্শক তার দেখানো পথেই আমরা চলি। তিনি যেসব নির্দেশনা দিয়েছেন। সেগুলোর হাদিস তিনি দুনিয়াবী অনেক বিষয় নিয়ে অনেক কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। সেগুলো বিভিন্ন হাদিস ভাবে সংগৃহীত রয়েছে  আছে।

বিয়ে করা ফরজ। মহান আল্লাহতালা আমাদের এই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। আমাদের জোড়া দিয়ে আমাদের পুরুষদের পাঁজরের হাড় দিয়ে একটি নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অর্থাৎ বিয়ে করার ফলে আমরা একটি নতুন সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে যাই। এবং সেই সম্পর্ক থেকে আমাদের একটা ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়।

তাই স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালোবাসা দরকার স্বামীর-প্রতি-স্ত্রীর-ভালোবাসা দরকার। স্বামী-স্ত্রীর এই ভালোবাসাটা এমন হওয়া উচিত মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর স্ত্রীর প্রতি যেমন ভালোবাসা ছিল। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লামের স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার বিভিন্ন নিদর্শন আমরা দেখতে পাই।

স্বামী স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা নিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু হাদিস রয়েছে। আমরা আজকে তেমনি কয়েকটি হাদিস নিয়ে আলোচনা করব।

চলুন শুরু করা যাক আমাদের আজকের আলোচনাটি

এক

আয়শা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলোয়াত করত।

Sponsored

দুই

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর আমি একই পাত্রে পানি রেখে গোসল করতাম যাকে ফারাক বলা হত।

তিন

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম যখন ইতিকাফ করতেন তখন তিনি আমার দিকে মাথা ঝুকে দিতেন আর আমি উনার চুল আচড়ে দিতাম।

চার

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন তিনি ঘরে তার বান্ধবীর সঙ্গে খেলা করতো আর যখন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম ঘরে ঢুকছেন তখন আমার বান্ধবীরা দৌড়ে পালাতো তখন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তার বান্ধবীদের ডেকে আনতে এবং তার সঙ্গে খেলা করার সুযোগ করে দিতেন।

পাঁচ

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেসওয়াক করার জন্য আমাকে দিবেন আর আমি সেটি নিজে আগে মেসওয়াক করে তারপর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামকে দিতাম।

প্রতিটি স্বামীর যদি তার স্ত্রীর প্রতি এমন ভালোবাসা থাকে তাহলে তাদের সংসার হবে সুখময় আর যদি প্রতিটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন ভালোবাসা না থাকে তাহলে তাদের মধ্যে কোন সুখ বিরাজ করবে না তারা সব সময় যেন দুঃখ নিয়ে বসবাস করতে থাকবে।

Sponsored

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More