স্বামী স্ত্রী জান্নাতে যাবেন যে আমলের মাধ্যমে

স্বামী স্ত্রী জান্নাতে যাবেন যে আমলের মাধ্যমে

0 93

Sponsored

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সুপ্রিয় বাণী কথার পাঠক বৃন্দ, আশা করি আপনারা সবাই  মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

মহান আল্লাহতালা আমাদের জীবদ্দশায় যে কয়েকটি কাজকে ফরজ করে দিয়েছেন। তার মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া অন্যতম একটি। প্রত্যেকটি মানুষের জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ফরজ কাজ। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। পুরুষের পাঁজরের হাড় দিয়ে একটি মহিলা জাতিকে সৃষ্টি করেছেন।

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ফলে একটি নারী ও পুরুষের মধ্যে এতটাই ভালোবাসার সম্পর্ক হয়ে যায়। যে তারা মহান আল্লাহতালার কাছে চায়। যেন তারা পরকালেও একই সঙ্গে থাকতে পারেন। কিন্তু আমরা সবাই জানি; পরকাল এমন একটি জায়গা। যেখানে মা তার ছেলেকে চিনবে না। ভাই তার ভাইকে চিনবে না।

ছেলে তার মাকে চিনবে না। বাবা তার সন্তানকে চিনবে না। বৌ তার স্বামীকে চিনবে না। স্বামী তার স্ত্রীকে চিনবে না। এতটাই কঠিন একটা জায়গা। তবে আমরা যদি মহান আল্লাহ তাআলার আমল করি। তাহলে মহান আল্লাহতালা আমাদের এত বড় বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। এবং আমাদের তিনি আমাদের পছন্দমত আত্মীয়-স্বজন মা-বাবা ভাই-বোন স্বামী স্ত্রী একসঙ্গে থাকার ব্যবস্থা করে দেবেন পরকালে।

স্বামী স্ত্রীর মহব্বত বাড়ার ফলে তারা চাই যেন দাম্পত্য জীবনের মতো তারা পরকালেও একে অপরের সঙ্গে সব সময় থাকতে পারেন। তারা একে অপরের সঙ্গে পরকালের থাকতে পারবেন। তবে মহান আল্লাহতালা এজন্য বলেছেন দাম্পত্য জীবনের মত যদি পরকালেও স্বামী স্ত্রী একসঙ্গে থাকতে চায়। তাদেরকে কিছু আমল করতে হবে। সেই সব নিয়েই আজকের আমাদের আলোচনা গুলো। চলুন জেনে নেয়া যাক আমাদের আজকের আলোচনা।

দাম্পত্য জীবনে যতগুলো দায়িত্ব রয়েছে। তার অধিকাংশ মহান আল্লাহতালা পুরুষের কাঁধের দিয়েছেন। এসব দায়িত্ব প্রতিটি পুরুষকে পালন করা উচিত হয়। তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন হবে। এবং মহান আল্লাহ তা’আলা পরকালে স্বামী-স্ত্রী কেই একসাথে থাকার সুযোগ করে দেবেন।

চারটি অর্থনৈতিক দায়িত্ব যা পুরুষকে অবশ্যই অবশ্যই পালন করতে হবে।

Sponsored

১. মোহরানাঃ

বিয়ের সময় একজন নারী পুরুষের উপর কিছু মোহরানা ধার্য করেন। অবশ্যই সেই পুরুষকে নারীর মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে হবে। মোহরানার টাকা পরিশোধ না করলে তাদের দাম্পত্য জীবন কখনোই জায়েজ হবে না। তাই একজন পুরুষকে অবশ্যই তার স্ত্রীর মোহরানা টাকা পরিশোধ করতে হবে।

২. খাবারের ব্যবস্থাঃ

বিয়ের পর অবশ্যই একজন পুরুষের দায়িত্ব হচ্ছে তার স্ত্রীর খাবারের জোগান দেওয়া। পুরুষ কাজ করবে এবং কাজ শেষে উপার্জন করে তার বউয়ের জন্য খাবারের জোগান দিবে। এবং খাবার নিশ্চিত করবে এটি পুরুষের অবশ্যই অবশ্যই কর্তব্য।

৩. পোশাকের ব্যবস্থাঃ

বিয়ের পর একজন পুরুষের দায়িত্ব হচ্ছে তার স্ত্রীর পোশাকের ব্যবস্থা করা। তার স্ত্রী যেন সঠিক ভাবে পোশাক-পরিচ্ছদ পর্দা করতে পারে। সেই ব্যবস্থাটাই তার স্বামীকে করতে হবে। তাই একজন স্ত্রীর পোশাকের নিশ্চিতকরন একজন পুরুষের উপর অর্পিত।

৪. বাসস্থানের ব্যবস্থাঃ

বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী কোথায় থাকবে সেই বাসস্থানের ব্যবস্থা একজন পুরুষকে করতে হবে। অবশ্যই তারা অর্থাৎ একটি ভাল  স্থানে থাকে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে একজন পুরুষকে।

Sponsored

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More