হযরত আব্দুল কাদির জিলানী এর সততার ঘটনা যা শুনলে বিস্মিত হয়ে যাবেন আপনি

হযরত আব্দুল কাদির জিলানী এর সততার ঘটনা যা শুনলে বিস্মিত হয়ে যাবেন আপনি

0 60

Sponsored

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সুপ্রিয় বাণী কথার পাঠক বৃন্দ, আশা করি আপনারা সবাই  মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

মহান আল্লাহতালা আমাদেরকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন তার ইবাদত করার জন্য। আমরা মহান আল্লাহ তাআলার ইবাদত করি আমরা যদি মহান আল্লাহ তাআলার ইবাদত না করে।

তাহলে আমরা প্রকারের জাহান্নাম পাব। এবং যদি আমরা মহান আল্লাহ তাআলার ইবাদত করি। তাহলে পরকালে জান্নাত পাব কিন্তু যুগে যুগে মানুষ বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে মহান আল্লাহতালা থেকে চলে গেছে।

আর সেজন্য মহান আল্লাহতালা মানুষকে সঠিক পথে আনার জন্য যোগাযোগের বিভিন্ন নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। নবী-রাসূলগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম আমরা এর উম্মত। তিনি হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ সততার গুণের অধিকারী।

এছাড়াও যুগে যুগে অনেক ইসলামের পয়গম্বর এসেছিলেন। যারা কিনা ইসলামের দাওয়াত দিয়ে গেছেন ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। শুধু তারা এছাড়াও তাদের জীবনে এমন কিছু সততার ঘটনাবলী রয়েছে।

যা আমরা শুনলে অবাক হয়ে যাব তারা এতটাই সততার শহীদ জীবনযাপন করতেন। যেন তারা একজন সততা উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আমাদের আজকের আলোচনার হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রঃ) কে নিয়ে।

Sponsored

চলুন শুরু করা যাক তার ঘটনাটি

হযরত আব্দুল কাদের জিলানী একদা এক সময় এক বণিক সম্প্রদায় এর সাথে ব্যবসায়িক কাজে এক জায়গায় যাচ্ছিলেন। তার মা তার শরীরে এমন ভাবে পুঁথিগুলো লাগিয়ে দিয়েছিলেন। যেন কোনো বিপদে পড়লে সেগুলো বিক্রি করে চলতে পারে।

কারণ সেই পুথিগুলো ছিল স্বর্ণমুদ্রার এবং আব্দুল কাদের জিলানী কে তার মা বললেন এই গুলো যেন কোন বিপদে পড়লে বিক্রি করা হয়। এগুলো তিনি সরাসরি পকেটের মধ্যে দেন নি। কারন যদি পথিমধ্যে কোন ডাকাত দল তাদের কাফেলাকে আক্রমণ করেন।

তাহলে এই পুঁথিগুলো সেই ডাকাত দল নিয়ে নেবে। যার ফলে আর তিনি বিপদে পড়ে পড়ে চলতে পারবেন না। অনেক কষ্ট হয়ে যাবে। হঠাৎ করে পথিমধ্যে তাদের একদল আক্রমণ করে। এবং তাদের মাঝে কিছুই পায় না। অর্থাৎ হযরত আব্দুল কাদের জিলানী এর মধ্যে কিছুই না পেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করে তোমার কাছে কি আছে?

তখন হযরত আব্দুল কাদের মিথ্যা না বলে সততার শহীত বলে যে আমার জামাই আটকানো কিছু স্বর্ণের মুদ্রা রয়েছে রয়েছে জি গুলো অনেক দামি ছিল ডাকাত সর্দারের সেই স্বর্ণের মুদ্রাগুলো নিয়ে দেখল এগুলো তো অনেক দামি। সে চাইলে যদি এগুলো না বলতো যে এখানে রয়েছে তাহলে কেউ আমরা এই স্বর্ণমুদ্রাগুলো পেতাম না।

কিন্তু কেন সে আমাদের এই ধরনের মুদ্রা গুলোর কথা বলল। সে এত সহজে সে কখনো মিথ্যা কথা বলে না। তখন ডাকাত দলের সর্দার বিস্মিত হয়ে যায়। এবং তার সততায় মুগ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি যে ইসলাম আমাদের সততার ধর্মকে। আমরা যদি সততার শহীত কাজ করি। তাহলে আমরা অনেক মানুষকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে পারব কারন আমাদের যারা ইসলাম শিখিয়েছেন। তারা অনেক সত ছিল। তাই আমাদের উচিত সততার সহিত জীবনযাপন করা।

Sponsored

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More