শবে কদর কবে ? শবে কদরের দোয়া ও আলামত সমূহ

শবে কদর কবে? কদরের দোয়া ও আলামত সমূহ

রমজানের শবে কদর কবে ? শবে কদরের দোয়া আরবিতে ও বাংলা উচ্চারণ এবং এই রাত্রের আলামত সমূহ কিভাবে চিনবো। এই রাত্রে আল্লাহর কাছে বান্দা ক্ষমার জন্য দোয়া করে। এই সকল বিষয় নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করবো। চলুন শুরু করা যাক –

শবে কদর কবে ? শবে কদরের ক্ষমার জন্য দোয়া আরবিতে ও আলামত সমূহ

লাইলাতুল কদর শবে কদরের প্রতিশব্দ। শব্দ শবে কদর শব্দটি রকটি ফারসি শব্দ। যার অর্থ পবিত্র রজনী, সম্মানিত ও মহিমান্নিত রাত। ফারসি ভাষায় শাব ওবং আরবি ভাষায় লাইলাতুল শব্দের অর্থ হল রজনী বা রাত্রি। অন্যদিকে কদর শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান। এছাড়া আরো অর্থ হল ভাগ্য, পরিমান তাকদির নির্ধারণ করা ইত্যাদি। অর্থাৎ পূর্ণ অর্থ আসে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর হল ভাগ্য রজনীর রাত, মূল্যবান রজনী, মহিমান্বিত রজনী এবং মর্যাদার রজনী।

শবে কদরের এই রাতে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর নিকট আল কুরআন অবতীর্ণ হয়। এজন্য মুসলমানদের কাছে শবে কদরের রাত অত্যন্ত পূন্যময় ও সম্মানিত রাত হিসেবে পরিগণিত। পবিত্র আল কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ শবে কদরের এই রাত্রিকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন এবং লাইলাতুল কদরের এ রজনীর ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও অধিক সাওয়াব অর্জিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রত্যেক বছর মাহে রমজানে লাইলাতুল কদর বা শবে কদর মুসলিম উম্মাহের জন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি সাওয়াব অর্জনের সুযোগ নিয়ে আসে।

শবে কদর অর্থাৎ লাইলাতুল কদর সম্পর্কে পবিত্র আল কুরআনে বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। তুমি কি জানো, লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সুরা কদর, আয়াত: ১-৩)

রমজানে শবে কদরের রাত কবে ও দোয়া

শবে কদর অর্থাৎ লাইতাতুল কদর কবে ? রমজানের এই কদরের রাত্রিতে পবিত্র গ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়। রমজান মাসের বিশেষ একটি দিন এই শবে কদরের রাত। লাইলাতুল কদর অর্থাৎ শবে কদরের ফজিলত লাভের আশায় মুসলিমগণ এই রাত্রি তালাশ করে থাকেন। এবং শবে কদরের দোয়া পাঠ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে থাকেন। তবে শবে কদর কবে ? কোন রাতে শবে কদর হয়? অর্থাৎ নির্দিষ্ট করে বলা হয় নি যে কোন রাতে শবে কদর হবে। তবে শবে কদরের কিছু আলামত হাদিসে বর্ণিত রয়েছে।

শবে কদর অর্থাৎ লাইলাতুল কদর কবে? হাদিস শরিফে এসেছে, তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করো। (বুখারি, হাদিস – ২০১৭)

উবাদা ইবনে সামিত (রা.) বর্ণনা করেন যে, হযরত মুহাম্মদ (সা) লাইলাতুল কদর এর ব্যাপারে খবর দিতে বের হলেন। এ সময় দু্ইজন মুসলমান ঝগড়া করছিলেন। তখন রাসুল (সা) বললেন, আমি আপনাদের লাইলাতুল কদর এর ব্যাপারে অবহিত করতে বের হয়েছিলাম। কিন্তু অমুক অমুক ব্যক্তি বিবাদে লিপ্ত হওয়ায় তা (সেই জ্ঞান) উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। আশা করি, উঠিয়ে নেওয়াটা আপনাদের জন্য বেশি ভালো হয়েছে। আপনারা সপ্তম (২৭ তম), নবম (২৯ তম) এবং পঞ্চম (২৫ তম) তারিখে এর সন্ধান করুন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৯)

হযরত মুহাম্মদ (সা) তার উম্মতের পেরেশানী কম করার জন্য শবে কদরের রাতের ব্যাপারে আরও নির্দিষ্ট করে বলছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অক্ষম হয় বা দুর্বল থাকে তাহলে সে যেন ২৭ রমজানের রজনীকে লাইলাতুল কদর বলে বিবেচনা করে ইবাদত করে। (মুসলিম : ১১৬৫) হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রা) বলেছেন, রাসূল(সা) আমাদেরকে ২৭ রমজানকে লাইলাতুল কদর বিবেচনা করে ইবাদত করতে বলেছেন। অতএব, এই হাদিসের মতে, ২৭ রমজান যেহেতু লাইলাতুল কদর বা শবে কদর হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আর সেজন্যই আমরা ২৭ রমজান রজনীতে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহন করে সবাই মিলে একসাথে ইবাদত-বন্দেগীত করে থাকি।

লাইলাতুল কদর বা শবে কদর যে রাতে হওয়ার সম্ভাবনা

লাইলাতুল কদর বা শবে কদরের দোয়া সমূহ পাঠ করা রমজানের বিজোড় রাত গুলোতে। কেননা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিতে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

হাদিস বিশারদ ও শরিয়তের গবেষকগণ বলেন, রমজান মাসে নির্দিষ্ট কোনো রাতকে লাইলাতুল কদর অর্থাৎ শবে কদর হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য সুস্পষ্ট দলিলের প্রয়োজন। তবে অন্যান্য রাতের চেয়ে রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাত গুলোর কোনো একটিতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। রমজানের শেষের বিজোর রাতগুলোর মধ্যে ২৭তম রাতে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন হাদিস থেকে এই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।( ফাতাওয়াউল লাজনাহ আদ্-দায়িমা; সৌদি আরবের ফতওয়াবিষয়ক স্থায়ী কমিটির ফতওয়াসমগ্র : ১০/৪১৩)

বিখ্যাত হাদিস বিশারদ আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানি (রহ) শবে কদর কবে হবে এই সম্পর্কে বলেন, আলেমগণ বলেন, এই রাতটির নির্দিষ্ট তারিখ গোপন রাখার পিছনে হিকমত হলো – মানুষ যেন এ রাতের মর্যাদা লাভের জন্য চেষ্টা সাধনা করে। নির্দিষ্ট তারিখ জানা থাকলে, মানুষ শুধু নির্দিষ্টভাবে সেই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করতো। (ফাতহুল বারি : ৪/২৬৬)

লাইলাতুল কদরের রাতের দোয়া ও আলামত সমূহ

শবে কদরের আলামত সমূহ : যে রাতে শবে কদর অর্থাৎ লাইলাতুল কদর হবে সেই রাতের আরো বেশ কিছু আলামত হাদিস শরিফ এ পাওয়া যায়। এই সকল আলামতের রাত পেলে শবে কদরের দোয়া বেশী বেশি পাঠ করা উত্তম। নিম্নে লাইলাতুল কদর বা শবে কদরের আলামত গুলো উল্লেখ করা হল-

রমজানের শেষ দশকের যে রাতে লাইলাতুল কদর অর্থাৎ শবে কদর হবে –

  • সেই রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
  • সে রাতটি নাতিশীতোষ্ণ হবে অর্থাৎ গরম ও নয় আবার শীতও নয় এমন আবহাওয়া থাকবে।
  • ওই রাতে মৃদু বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
  • এই রাতে কোন উল্কা ছুটবে না।
  • সে রাতে আল্লাহর ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
  • সেই রাত সম্পর্কে কোনো ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
  • ওই রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
  • সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো। (সহিহ ইবনু খুজাইমা: ২১৯০; বুখারি: ২০২১; মুসলিম: ৭৬২)।

শবে কদরের এই সকল আলামত রমজানের শেষ দশকের ঐ রাত্রিতে বিদ্যমান থাকবে।

শবে কদর অর্থাৎ লাইলাতুল কদরের রাতে যে বিশেষ দোয়া পড়বেন

লাইলাতুল কদর অর্থাৎ শবে কদর একটি রহমত পূর্ণ রাত। এ রাতে আপনি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য বেশি বেশি ইবাদত ও দোয়া করবেন। শবে কদর সম্পর্কে আমাদের নবী করীম (সা) বলেছেন, ইবাদতের সাথে দোয়া করতে। হাদিসে জানতে পারি, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী করীম (সা) বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করবে, তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারি শরিফ, ইমান অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: ২৫, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৯-৩০, হাদিস: ৩৪; ই. ফা.)।

শবে কদরের জন্য কি দোয়া পড়তে হবে আমাদের বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) তা জানিয়েছেন। হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি জানতে পারি যে, কোন রাতটি লাইলাতুল কদর তাহলে তখন কোন দোয়াটি পাঠ করব।

রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, তুমি বলবে

اللهم انك عفو تحب العفو فاعف عني

শবে কদরের দোয়া বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফয়া ফা’ফু আন্নি।

শবে কদরের দোয়া বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি বড়ই ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

আমাদের সকল মুমিন মুসলমানদের উচিত রমজানের মাসে ও এর শেষের দশকে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনার দোয়া পাঠ করা।

পবিত্র আল কুরআনে বর্ণিত শবে কদরের ক্ষমার জন্য যে সব দোয়া

আল কুরআনে শবে কদরের দোয়া : আল্লাহ তাআলার কাছে সেই বান্দা বেশি প্রিয় যে বান্দা ভুল করে এবং অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চায়। ক্ষমা প্রার্থনার জন্য মহান আল্লাহ তার কুরআনে কারীমে অনেক দোয়া তুলে ধরেছেন। যে দোয়া গুলো নামাজের সিজদা, তাশাহুদসহ সবসময় পড়া যায়। চলুন জেনে নেই ক্ষমার দোয়া যা আমরা রমজানে শেষ দশকে লাইলাতুল কদরের তালাশে পড়বো। শবে কদরের রাত্রে ক্ষমার জন্য নিম্নে বর্ণিত দোয়া সমূহ পাঠ করতে পারি –

ক্ষমার জন্য শবে কদরের দোয়া আরবিতে – رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِيْنَ

শবে কদরের দোয়া বাংলা উচ্চারণঃ রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতা খাইরুর রাহিমিন
দোয়া অর্থঃ হে আমার প্রভু! (আমাকে) ক্ষমা করুন এবং (আমার উপর) রহম করুন; আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ রহমকারী।’ (সুরা মুমিনুন : আয়াত ১১৮)

ক্ষমার জন্য শবে কদরের দোয়া আরবিতে ২ – رَبَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

শবে কদরের দোয়া উচ্চারনঃ রাব্বানা আমান্না ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়া আংতা খাইরুর রাহিমিন।
দোয়া অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। অতএব তুমি আমাদেরকে ক্ষমা কর ও আমাদের প্রতি রহম কর। তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।’ (সুরা মুমিনুন : আয়াত ১০৯)

ক্ষমার জন্য শবে কদরের দোয়া আরবিতে ৩- رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ

শবে কদরের দোয়া বাংলা উচ্চারণঃ রাব্বানা জ্বালামনা আংফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানাকুনান্না মিনাল খাসিরিন।
দোয়া অর্থঃ হে আমাদের প্রভু! আমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবো।’ (সুরা আরাফ : আয়াত ২৩)

ক্ষমার জন্য শবে কদরের দোয়া আরবিতে ৪- رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ

শবে কদরের দোয়া বাংলা উচ্চারণঃ রাব্বানা ফাগফিরলানা জুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সায়্যিআতিনা ওয়া তাওয়াফফানা মাআল আবরার।
দোয়া অর্থঃ হে আমাদের প্রভু! সুতরাং আমাদের গোনাহগুলো ক্ষম করুন। আমাদের ভুলগুলো দূর করে দিন এবং সৎকর্মশীল লোকদের সাথে আমাদের শেষ পরিণতি দান করুন।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৯৩)

লাইলাতুল কদরের রাত্রে ক্ষমার জন্য দোয়া বাংলা

ক্ষমার জন্য শবে কদরের দোয়া আরবিতে ৫- رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِيْ أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِيْنَ

শবে কদরের দোয়া বাংলা উচ্চারণঃ রাব্বানাগফিরলানা জুনুবানা ওয়া ইসরাফানা ফি আমরিনা ওয়া ছাব্বিত আক্বদামানা ওয়াংছুরনা আলাল ক্বাওমিল কাফিরিন।
দোয়া অর্থঃ হে আমাদের প্রভু! আমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিন। আমাদের কাজের মধ্যে যেখানে তোমার সীমালঙ্ঘন হয়েছে, তা মাফ করে দিন। আমাদের কদমকে অবিচল রাখুন এবং অবিশ্বাসীদের মোকাবেলায় আমাদের সাহায্য করুন।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৪৭)

লাইলাতুল কদর অর্থাৎ শবে কররের ইবাদতের সময় আমাদের রাসূল ঘোষিত দোয়া পাঠ করতে হয়। আল কুরআনে বর্ণিত শবে কদরের রাতে ক্ষমার জন্য দোয়া সমূহ বেশি বেশি পাঠ করা। আর আমরা নামাজের সিজদায় দিয়ে তাসবিহ পড়ে অথবা শেষ বৈঠকে তাশাহুদ ও দরুদ পড়ার পর ক্ষমা প্রার্থনার জন্য এই দোয়া গুলো পরবো। তাতে মহান আল্লাহ তাআলা রোজাদার মুমিন বান্দাদের গুনাহ থেকে মুক্তি দিয়ে নাজাত দান করবেন।

আপনি আরো পড়তে পারেন, লাইলাতুল কদর বা শবে কদরের ফজিলত ও আমল সমূহ। 

আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম উম্মাহকে গোনাহ থেকে মাফ করুন। এবং রসূল (সা) এর শেখানো শবে কদরের দোয়া পাঠ করার তৌফিক দান করুন। আর আল্লাহর কিতাবে দেওয়া ক্ষমার দোয়া গুলো বেশি বেশি পড়ার তৌফিক দান করুন। সেই সাথে প্রত্যেক রোজাদার মুমিন মুসলমানদের লাইলাতুল কদর অর্থাৎ শবে কদর লাভের সৌভাগ্য দান করুন। আমিন।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More