আশুরার ১০টি রুদ্ধশ্বাসে ঘটনা। যা আপনার ঈমান বাড়াতে সাহায্য করবে

মহরম মাসের কয়েকটি রুদ্ধশ্বাসে ঘটনা

0 9

Sponsored

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সুপ্রিয় বাণী কথার পাঠক বৃন্দ, আশা করি আপনারা সবাই  মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

হিজরি সনের প্রথম মাস মহরম। এটি একটি অত্যন্ত বরকতময় মাস। মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলআর কিতাবে মাস সমুহের গণনায় বারোটি মাস। যেদিন তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত এটাই প্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং এ মাস সমুহের তোমরা নিজেদের উপর কোনো জুলুম করো না।

হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন, বারটি মাসের সমন্বয়ে হয় বছর। তার মধ্যে চারটি অতি সম্মানিত। মাস চার হলো জিলহজ জিলকদ মহরম,জুমাদাস সানি ও সাবান এর মধ্যবর্তী রজব। এরমধ্যে মুহাররম অতি সম্মানিত মাস।

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ব্যাখ্যায় বলেছেন, 12 মাসের মধ্যে কোনটিতে তোমরা অন্যায় অপরাধে জড়িয়ে পড়না। অতঃপর তার মধ্যে চারটি মাসকে মহিমান্বিত করেছেন। তাদের  মহা সম্মানে সম্মানিত করেছেন। এদের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ কে মারাত্মক অপরাধ বলে গণ্য করেছেন। আর তাতে সংঘটিত নেক আমলের বেশি সওয়াব বলে গণ্য করেছেন।

আজকে আমরা জানবো মহরম মাসের কয়েকটি রুদ্ধশ্বাস ঘটনা। চলুন জেনে নেয়া যাক ঘটনাগুলো।

১. এই মাসে হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম কে সৈন্য সহ নীলনদের ফেরাউনের বিপদ থেকে রক্ষা পেতে। নীলনদের মাঝ দিয়ে রাস্তা তৈরি করে দিয়েছিলেন। এবং ফেরাউনকে নীল নদে ডুবিয়ে মেরে ছিলেন মহান আল্লাহ তা’আলা।

২. নূহ আলাইহিস সাল্লাম কে মহা বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। এবং তার সঙ্গীদের সহ তাকে জুদি পাহাড়ে উঠিয়েছেন।

Sponsored

৩. ইউনুস আলাইহিস সাল্লাম বিশাল একটি মাছের পেটে ঢুকে গিয়েছিলেন। এবং এই মাসেই মহান আল্লাহতালা মাছের পেট থেকে ইউনুস আলাইহিসসাল্লামকে মুক্তি দিয়েছেন।

৪. আদম আলাইহিস সাল্লাম এর তওবা কবুল করেছেন।

৫. ইউসুফ আলাইহিস সাল্লাম কে কূপ থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন।

৬. দাউদ আলাইহিস সাল্লাম এর তওবা কবুল করেছেন।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি যে, এই মাসটা অনেক মহিমান্বিত মাস। আমরা যদি এই মাসে মহান আল্লাহ তাআলার নিকট রোজা রেখে আমল করি। তাহলে মহান আল্লাহতালা আমাদের সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। আমরা এই মাসে বেশি বেশি করে ইবাদত করব।

অন্যায় জুলুম করব না এবং মহান আল্লাহতালার কাছে মাফ চাইবো। বিভিন্ন । ভাবে  সহায়তা চাইব। তাহলে অবশ্যই মহান আল্লাহতালা আমাদের বিপদে এগিয়ে আসবেন। এবং আমাদের সকল পাপ মুক্তি করে দিবেন।

আমাদের উচিত বেশি বেশি করে ইবাদত করা। এবং মহান আল্লাহতালার সন্তুষ্টির জন্য সকল পাপাচার থেকে বিরত থাকা।

Sponsored

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More